ঢাকা রাজধানীর পল্টন এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি সমর্থকদের সঙ্গে জনসভা শেষে অজ্ঞাত হামলাকারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। আক্রান্তের পর তাকে ঢাকাস্থ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তার অবস্থাকে আশঙ্কাজনক বলে উল্লেখ করেছেন।
শুক্রবার দুপুরের দিকে পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় জনসভা ও প্রচারণা কার্যক্রম শেষে বের হওয়ার সময় হাদির বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল আরোহীরা গুলি ছোড়ে। কানের নিচে গুলিবিদ্ধ হওয়া হাদিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে বর্তমানে কমায় থাকার তথ্য জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া
এই হামলার খবর দ্রুত দেশের রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গ্রূপের ভেরিফায়েড সামাজিক পোস্টে এই সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতভিন্নতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার নামে সহিংসতা বরদাস্তযোগ্য নয়।
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই ওসমান হাদি বিভিন্ন রাজনীতিক মন্তব্য ও প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন। এর আগে তিনি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে মৃত্যুর হুমকি এবং তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ভয়াবহ হুমকির কথা জানান, যা তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন।
এই ধরনের নির্দেশ সাধারণত পুলিশের তদন্ত ত্বরান্বিত করা, প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং হামলার পরিকল্পনায় যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের জন্য নির্দেশনা জারি করার জন্য হয়ে থাকে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, হামলা ও বিরোধীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই জনজীবন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন ও তাতে সহিংসতা সংঘটিত হওয়ার কারণে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সংগঠনগুলো থেকে নিয়মিত ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা দাবি করা হচ্ছে।
সংক্ষেপে:। ওসমান হাদি পল্টনে জনসভা শেষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।