স্টাফ রিপোর্টার মাওঃ তানভীর করিমগঞ্জ থেকে
— জাহাঙ্গীর মোল্লার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস এক ফেসবুক বার্তায় দলের অবস্থান, রাজনৈতিক শালীনতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার বিষয়ে স্পষ্ট ও কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে এডভোকেট গাউস বলেন, দলের মনোনীত প্রার্থীর চেয়ে ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে যোগ্য মনে করা অস্বাভাবিক নয়। তবে দলীয় সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করে ধানের শীষ প্রতীক পাওয়া একজন সাবেক মন্ত্রী ও বয়োজ্যেষ্ঠ সিনিয়র নেতাকে হেয়প্রতিপন্ন করা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী। তাঁর ভাষায়, এ ধরনের আচরণ “সংকীর্ণ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ”।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা নিজেদের বেশি যোগ্য মনে করেন, তাদের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পথ খোলা আছে। অর্থাৎ, গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার সুযোগ রয়েছে; কিন্তু দলীয় প্রতীক ও সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করে আক্রমণাত্মক অবস্থান গ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়।
এডভোকেট গাউস জাহাঙ্গীর মোল্লার বক্তব্যকে “মোনাফেকি কর্মকাণ্ড” হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে তিনি আল্লাহর কাছে হেদায়েত কামনা করেন, যা রাজনৈতিক মতভেদের মধ্যেও নৈতিকতা ও আত্মশুদ্ধির আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাজনৈতিক শালীনতার আহ্বান- পরিশেষে “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” উচ্চারণের মাধ্যমে তিনি জাতীয় স্বার্থ ও দলীয় ঐক্যের বার্তা দেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ প্রতিক্রিয়া শুধু একটি বক্তব্যের জবাব নয়; বরং এটি দলীয় শৃঙ্খলা, জ্যেষ্ঠতার প্রতি সম্মান এবং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ভাষা ব্যবহারের প্রতি একটি সুস্পষ্ট আহ্বান।
, এডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউসের বক্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য ও শালীন রাজনৈতিক আচরণের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে।