শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও কল্যাণ কামনা করিমগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত অভিযান শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শনে সদর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম মাজহার মারিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাহউদ্দিন খাঁন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সদরবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ নাজমুল আলম প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ, ‘জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি চলবে না’ স্লোগান; অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ বিরোধী জোটের রমজানে এতিমখানায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি খেজুর বিতরণের নির্দেশ- এমপি মাজারুল ইসলামের রমজানে অসহায় পরিবারের পাশে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকাস্থ করিমগঞ্জ উপজেলা সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল: রমজানের চেতনায় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও জনকল্যাণের অঙ্গীকার ৭নং মল্লিকবাড়ি ইউনিয়ন জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করে যেতে চাই তানভীর মন্ডল আনোয়ারুল

মহান বিজয় দিবসে বিশ্বব্যাপী বাংলাভাষীদের প্রতি বিজয়ের রক্তিম শুভেচ্ছা জানালেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা আবেদ আলী

  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৬ বার দেখা হয়েছে

 

বিশেষ প্রতিবেদন।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলা ভাষাভাষী দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থানরত সকল বাঙালিকে বিজয়ের রক্তিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর মানবাধিকার সংগঠন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন (SAARC Human Rights Foundation)-এর মহাসচিব, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকারকর্মী অধ্যক্ষ মাওলানা আবেদ আলী।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় গৌরবের দিন। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই বিজয় আমাদের আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও স্বাধীন সত্তার চূড়ান্ত স্বীকৃতি। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা শুধু একটি ভূখণ্ড নয়—এটি ন্যায়, মানবিকতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার।”

অধ্যক্ষ মাওলানা আবেদ আলী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। তিনি বলেন, “যাদের ত্যাগে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ, সেই সব বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ চিরদিন জাতির হৃদয়ে অম্লান থাকবে। তাঁদের আদর্শ ধারণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিজয়ের চেতনা কেবল উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা মানবাধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতিদিনের সংগ্রামে প্রতিফলিত হতে হবে। “মানবাধিকার রক্ষা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনই হবে মহান বিজয় দিবসের প্রকৃত শ্রদ্ধা,”—বলেন তিনি।

বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাঙালিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেশের বাইরে থেকেও যারা ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে চলেছেন, তাঁরাও এই বিজয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশীদার। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে তাঁদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।”

শেষে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মহান বিজয় দিবসের এই পবিত্র ক্ষণে আসুন আমরা শপথ নিই—স্বাধীনতার চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব।

মানবিক মানুষ হিসেবে মাওলানা আবেদ আলীর কণ্ঠে মানবতার আহ্বান

মানবাধিকারকর্মী অধ্যক্ষ মাওলানা আবেদ আলী তাঁর বক্তব্যে বারবার মানবিক মূল্যবোধ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন,

“মানুষের প্রতি ভালোবাসা আর মানবতার কল্যাণেই রাষ্ট্র, সমাজ ও সংগঠনের সব কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া উচিত। মানবাধিকারের মূল দর্শনই হলো—ক্ষুধার্তকে খাদ্য, নির্যাতিতকে ন্যায়বিচার এবং অসহায়কে আশ্রয় দেওয়া।”

তিনি মনে করেন, মহান বিজয় দিবস কেবল একটি ঐতিহাসিক অর্জনের স্মরণ নয়; বরং এটি মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর এক অনন্ত প্রেরণা। তাঁর ভাষায়,

“যে স্বাধীনতা মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে না, সেই স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় না। মানবিক বাংলাদেশ গড়াই হবে শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।”

মানবতার কল্যাণে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম

অধ্যক্ষ মাওলানা আবেদ আলীর নেতৃত্বে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে মানবতার কল্যাণে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো:

সামাজিক ও পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের জন্য আইনি সহায়তা ও মানবিক সহযোগিতা প্রদান।

মানবাধিকার সচেতনতা বৃদ্ধি:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক পরিসরে মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে সেমিনার, আলোচনা সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা:

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা ও সংকটকালে খাদ্যসামগ্রী, পোশাক ও জরুরি ত্রাণ বিতরণ।

শিক্ষা ও নৈতিকতার প্রসার:

সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে মানবিক মানুষ গড়ে তোলার উদ্যোগ।

—মানবতার পক্ষে অটল প্রত্যয়

অধ্যক্ষ মাওলানা আবেদ আলী দৃঢ় প্রত্যয়ে বলেন,

“মানবতা বিভাজন মানে না—এখানে ধর্ম, ভাষা বা ভৌগোলিক সীমানা নেই। মানবতার কল্যাণেই আমাদের সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

মহান বিজয় দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে তাঁর আহ্বান—সবাই যেন মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হয়, যেখানে ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবাধিকার হবে রাষ্ট্র ও সমাজের মূল ভিত্তি।

মহান বিজয় দিবস হোক স্বাধীনতার আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার এক অনন্য প্রেরণা। জয় মানবতা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Doinik Probaho
Customized By Ayaz Host