নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা ও লেখক মিজানুর রহমান আজহারী- শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন ও বিপ্লবী স্ট্যাটাস প্রদান করেছেন। সেখানে তিনি শহীদ হাদিকে আখ্যা দেন “দ্রোহের প্রতীক” হিসেবে—যার রাজকীয় বিদায় গোটা জনপদকে অশ্রুসিক্ত করে তুলেছে।
ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী লেখেন,
“ধূমকেতুর মতো এলেন। ন্যায় ও ইনসাফের বলিষ্ঠ কণ্ঠ হিসেবে গোটা জনপদে বিপ্লবের দাবানল ছড়িয়ে হঠাৎ রবের সান্নিধ্যে চলে গেলেন। নিশ্চয়ই আসমানে আমার ভাইকে এর চাইতেও বড় রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানোর আয়োজন চলছে।”
এই বক্তব্যে শহীদ হাদির জীবনসংগ্রাম, নৈতিক দৃঢ়তা ও আত্মত্যাগের চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক হৃদয়বিদারক বাস্তবতায় শহীদ ওসমান হাদি জুমার নামাজের পরপরই গুলিবিদ্ধ হন, আর ঠিক পরের জুমার রাতেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তার এই শাহাদাত দেশজুড়ে শোকের ছায়া নামিয়ে আনে। কোটি মানুষের চোখের জল আর কান্নাভেজা দুআয় বিদায় নেন এই তরুণ বিপ্লবী।
মিজানুর রহমান আজহারী তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন—পেয়েছেন কোটি মানুষের কান্না মিশ্রিত দুআ। সুবহানাল্লাহ! এ এক পরম সৌভাগ্য!”
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, হাদির মতো দেশপ্রেমিক, আধিপত্যবাদ-বিরোধী ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উজ্জীবিত তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ। শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না—এই চিরন্তন সত্যের পুনরুচ্চারণ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ইনশাআল্লাহ শহীদ ওসমান হাদি সহস্র মুক্তিকামী মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শহীদ হাদি শুধু একটি নাম নয়—তিনি একটি আদর্শ, একটি প্রতিবাদ এবং একটি অনুপ্রেরণার বাতিঘর। তার সাহস, ন্যায়বোধ ও আত্মত্যাগ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা জোগাবে, জাগ্রত রাখবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি।
শেষ পর্যন্ত বলা যায়, শহীদ ওসমান হাদি ইতিহাসে বেঁচে থাকবেন—মানুষের ভালোবাসায়, সংগ্রামের প্রেরণায় এবং ন্যায়ের পথে অবিচল সাহসের প্রতীকে।