নিজস্ব প্রতিবেদক |
গণঅধিকার পরিষদের সামসুল ইসলামসহ পাঁচ প্রার্থীর সরব উপস্থিতি- আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ–৩ আসন (করিমগঞ্জ–তারাইল) এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে।এই ধারাবাহিকতায় গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন
প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ সামসুল ইসলাম।তিনি বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদ, করিমগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে তাকে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আসনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট করিমগঞ্জ ও তারাইল উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ–৩ আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।এ আসনে উন্নয়ন, সুশাসন ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিকে কেন্দ্র করে ভোটের সমীকরণ গড়ে ওঠে।সাম্প্রতিক সময়ে তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির প্রতি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আলোচনায় থাকা প্রার্থীরা আসন্ন নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ–৩ আসনে যে প্রার্থীরা আলোচনায় রয়েছেন—
• গণঅধিকার পরিষদ প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ সামসুল ইসলাম
• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ডক্টর এম. ওসমান ফারুক
• জাতীয় পার্টির একাংশ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মজিবুল হক চুন্নু
• বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডাক্তার কর্নেল (অব:) জিয়াদ খান
• ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রভাষক আলমগীর হোসেন তালুকদার
রাজনৈতিক-বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির রয়েছে ঐতিহ্যগত ভোটব্যাংক। জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মজিবুল হক চুন্নু জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের রয়েছে সংগঠিত ও শৃঙ্খলাভিত্তিক ভোটারগোষ্ঠী। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদ সংস্কার, গণতন্ত্র ও শিক্ষাভিত্তিক রাজনীতির বার্তা তুলে ধরছে।
এই পাঁচ প্রার্থীর অংশগ্রহণে আসনটিতে একটি পাঁচমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যাশা মনোনয়ন ফরম উত্তোলন উপলক্ষে প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ সামসুল ইসলামের জন্য রইল দোয়া ও শুভকামনা।
সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই এখন কিশোরগঞ্জ–৩ আসনের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা