মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি আর কখনো যেন না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা মহেশখালীতে সড়কে টমটম দুর্ঘটনায় মিনহা নামক এক শিশুর মৃত্যু। দেহুন্দায় বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে- হাজী পাভেলের অভিনন্দন তারেক রহমানকে বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব গ্রহণে অভিনন্দন বিএনপির নেতৃত্বে পরিবর্তন: চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ সদরের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম দিক হলো-সে কাউকে আগাম সতর্ক করে না,কিন্তু ভুলের মূল্য সুদে-আসলে আদায় করে। -17 যুদ্ধবিমান, পাকিস্তান-বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও জিন্নাহ: ইতিহাস অস্বীকারকারীদের জন্য এক রাজনৈতিক চপেটাঘাত পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরছেন করিমগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী আশরাফ হোসেন পাভেল

‎কওমি মাদরাসা ও আলেম সমাজের অধিকার রক্ষায় নির্বাচনী প্রস্তাবনা

  • আপডেট সময়: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৪ বার দেখা হয়েছে

 প্রস্তাবনা মন্তব্য প্রতিবেদন

‎বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী এবং শতবর্ষী রাজনৈতিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর সঙ্গে বিএনপির ৪ দফা সমঝোতা চুক্তি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে আসন্ন নির্বাচনে আট দলীয় জোট বা বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ইশতিহারে কওমি ধারার আলেম ও শিক্ষার্থীদের “প্রাণের দাবি”গুলো অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য।

‎একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা, জামায়াত চরমোনাইসহ জোটভুক্ত দলগুলো কওমি অঙ্গনের স্বার্থে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো স্পষ্ট করবে:

‎১. কওমি সনদের পূর্ণাঙ্গ কার্যকারিতা নিশ্চিতকরণ ।কওমি মাদরাসার ‘দাওরায়ে হাদিস’ (মাস্টার্স সমমান) সনদের যে স্বীকৃতি বর্তমানে আছে, তা যেন কেবল কাগজ-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে। ক্ষমতায় গেলে এই সনদের ভিত্তিতে সরকারি ও বেসরকারি কর্মসংস্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের প্রবেশের পথ সুগম করার সুস্পষ্ট ঘোষণা থাকতে হবে।

‎২. ধর্মীয় সেবকদের পেশাগত নিরাপত্তা।রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা পটপরিবর্তনের কারণে কোনো কওমি আলেম, ইমাম, খতিব কিংবা মুয়াজ্জিন যেন কর্মস্থল থেকে বরখাস্ত বা হয়রানির শিকার না হন, তার আইনি ও নৈতিক নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। মসজিদ-মাদ্রাসাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার অঙ্গীকার করতে হবে।

‎‎৩. স্বতন্ত্র কওমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ‎কওমি মাদরাসার স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে উচ্চতর গবেষণার জন্য একটি স্বতন্ত্র ‘কওমি বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবি। ইশতিহারে এই দাবির প্রতিফলন থাকলে তা কওমি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

‎৪. অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও আয়ের উৎসের সুরক্ষা ‎মাদ্রাসাগুলোর প্রধান আয়ের উৎস হচ্ছে কুরবানির চামড়া, জাকাত ও ফেতরা। বিগত বছরগুলোতে চামড়ার বাজারে যে কৃত্রিম সংকট দেখা দিয়েছে, তা মাদ্রাসাগুলোকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করে দিয়েছে। জোটের ইশতিহারে চামড়া শিল্পের সিন্ডিকেট নির্মূল এবং জাকাত-ফেতরা সংগ্রহে রাষ্ট্রীয় কোনো বাধা বা অপচেষ্টা না করার অঙ্গীকার থাকতে হবে। ‎৫. আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ‘মুআদালা’র ব্যবস্থা

‎আরব বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর (যেমন: মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়) সাথে কওমি সনদের ‘মুআদালা’ বা সমমান স্বীকৃতির ব্যবস্থা করা। এটি কওমি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মোচন করবে।‎

‎নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পর অতীতের মতো প্রতিশ্রুতি ভুলে যাওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কওমি আলেম সমাজ কেবল ভোটের হাতিয়ার নয়, বরং তারা এদেশের ইসলামের পাহারাদার। তাই আট দলীয় জোট বা যেকোনো রাজনৈতিক শক্তির সাথে সমঝোতা হতে হবে লিখিত এবং সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে। আলেম সমাজের প্রাণের দাবিগুলো ইশতিহারে অন্তর্ভুক্ত করে তবেই ভোটের মাঠে নামা উচিত।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Doinik Probaho
Customized By BlogTheme