বিশেষ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের সাগুলী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলিমুদ্দিন সাহেবের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, কিশোরগঞ্জ জেলা সভাপতি ফজলে করিম মোঃ নজরুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক।
এক যৌথ শোকবার্তায় সভাপতি ও সেক্রেটারি বলেন,
“বীর মুক্তিযোদ্ধা আলিমুদ্দিন সাহেব ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সাহসী ও আত্মত্যাগী সৈনিক। ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অবদান জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
তাঁরা আরও বলেন, আলিমুদ্দিন সাহেব শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধাই নন, তিনি ছিলেন সমাজের একজন সচেতন, নীতিবান ও মানবিক মানুষ। তাঁর জীবনাচরণে দেশপ্রেম, সততা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার যে দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়, তা আজকের প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মানবাধিকারের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক
বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল দর্শন ছিল মানুষের স্বাধীনতা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা। সেই দর্শনের বাস্তব রূপ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলিমুদ্দিন সাহেব। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা একই সূত্রে গাঁথা—আর সেই চেতনার একজন নির্ভীক ধারক ছিলেন তিনি।
তাঁদের মতে, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু কেবল একটি পরিবারের ক্ষতি নয়; এটি জাতির জন্য এক অপূরণীয় শূন্যতা। আলিমুদ্দিন সাহেবের মতো মানুষরাই স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি রচনা করেছেন, যাদের ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে আজকের রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থা।
শোকবার্তায় সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন কিশোরগঞ্জ জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন,
“আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।”
অমর থাকবে বীরের স্মৃতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলিমুদ্দিন সাহেবের ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটলেও, তাঁর ত্যাগ, আদর্শ ও দেশপ্রেম জাতির ইতিহাসে অমলিন হয়ে থাকবে।