স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম
কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান-এর সঙ্গে সরকার গোপনে সমঝোতার চেষ্টা করেছে—এমন মন্তব্য ঘিরে পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ-এর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ।
একটি জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, ইমরান খানের কাছে দুই দফা সমঝোতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি নাকি উভয়বারই সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার পথ খোলা রাখা হলেও তাতে সাড়া দেননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
তবে সানাউল্লাহর এ বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত তা নাকচ করে সরকার। মন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার স্পষ্ট ভাষায় জানান, ইমরান খানের সঙ্গে কোনও ধরনের চুক্তি বা সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে ইমরান খানকে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি এবং তাঁকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।”
তিনি আরও বলেন, আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে সরকার আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একই ইস্যুতে সরকারের ভেতর থেকে ভিন্ন সুর শোনা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে শাসকদলের অবস্থান নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেও মত তাদের।
বর্তমানে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন ইমরান খান। তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও সরকারের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে পাকিস্তানের রাজনীতিতে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।