শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও কল্যাণ কামনা করিমগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত অভিযান শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শনে সদর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম মাজহার মারিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাহউদ্দিন খাঁন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সদরবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ নাজমুল আলম প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ, ‘জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি চলবে না’ স্লোগান; অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ বিরোধী জোটের রমজানে এতিমখানায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি খেজুর বিতরণের নির্দেশ- এমপি মাজারুল ইসলামের রমজানে অসহায় পরিবারের পাশে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকাস্থ করিমগঞ্জ উপজেলা সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল: রমজানের চেতনায় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও জনকল্যাণের অঙ্গীকার ৭নং মল্লিকবাড়ি ইউনিয়ন জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করে যেতে চাই তানভীর মন্ডল আনোয়ারুল

মিন্টো রোডের ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ আবারও সচল: বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নামে বরাদ্দ

  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর অভিজাত এলাকা মিন্টো রোড-এ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের পাশেই অবস্থিত ঐতিহাসিক ২৯ নম্বর বাড়ি—রাজনৈতিক মহলে পরিচিত ‘লাল বাড়ি’ নামে—আবারও সচল হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার পর ভবনটি নতুন করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান-এর নামে বাসভবনটি বরাদ্দ দিয়েছে। দীর্ঘদিন অবহেলায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়া ভবনটির মেরামত, সংস্কার ও আনুষঙ্গিক কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব

ব্রিটিশ আমলে প্রায় আড়াই একর জমির ওপর নির্মিত দোতলা লাল রঙের এই ভবনটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। নব্বইয়ের দশক থেকে এটি ছিল বিরোধীদলীয় রাজনীতির এক উল্লেখযোগ্য ঠিকানা।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা এখানে বসবাস শুরু করেন। পরে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই বাসভবন থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। সে সময় বাড়িটি রাজনৈতিক তৎপরতায় ছিল সরগরম।

দীর্ঘ বিরতির অবসান

২০০১ সালের পর প্রায় ২৫ বছর কোনো বিরোধীদলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় পার্টির নেতারা বাসভবনটি বরাদ্দ চাইলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরও বরাদ্দ প্রক্রিয়া শুরু হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে তা কার্যকর হয়নি।

নতুন করে বরাদ্দ ও সংস্কার কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ আবারও দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Doinik Probaho
Customized By Ayaz Host