বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
করিমগঞ্জ উপজেলা বাসীর আস্থার প্রতীক হাজী আশরাফ হোসেন পাভেল — আগামী দিনের কাণ্ডারী হিসেবে এগিয়ে একজন ক্লিন ইমেজের নেতা কিশোরগঞ্জের উন্নয়নে দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার, দোয়া চাইলেন প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম ভালুকায় এস এন এস সিএনজি ও ব্যাগ ফ্যাক্টরীর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল মিন্টো রোডের ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ আবারও সচল: বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নামে বরাদ্দ কিশোরগঞ্জ শহরের নদী দখলমুক্তে এমপি মাজহারুল ইসলামের হস্তক্ষেপ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ হাতপাখা প্রার্থীদের ‘পরিকল্পিতভাবে’ হারানো হয়েছে: অভিযোগ করেন মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীমের কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে প্রত্যাশা: নাজমুল আলমকে ঘিরে আলোচনায় মাঠে  ভালুকা পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে মোঃ ফজলুল হক কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নাজমুল আলমকে দেখতে চায় তৃণমূল প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

কিশোরগঞ্জ শহরের নদী দখলমুক্তে এমপি মাজহারুল ইসলামের হস্তক্ষেপ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জ শহরের নদী দখলমুক্তে এমপি মাজহারুল ইসলামের হস্তক্ষেপ

প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

কিশোরগঞ্জ শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী নরসিংদী নদী দখল করে ভূমিদস্যুরা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম মাজহার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল নদীর তীর দখল করে মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও বন্যা ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কাও করছেন এলাকাবাসী।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “নদী আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অবৈধভাবে নদী দখল করলে তা বরদাশত করা হবে না। প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নদী রক্ষা করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং স্থানীয় জনগণেরও সচেতন ভূমিকা প্রয়োজন। পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার স্বার্থে দখলমুক্ত নদী নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে এলাকাবাসী সংসদ সদস্যের তাৎক্ষণিক উপস্থিতি ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নদী দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি ও আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করা হলে কিশোরগঞ্জ শহরের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে—এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন নাগরিকদের।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Doinik Probaho
Customized By Ayaz Host