ডেস্ক রিপোর্ট |

আমাকে বিদায় দিতে দয়া করে কেউ সেদিন এয়ারপোর্ট যাবেন না”—সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর আবেগে ভরা এই কথাগুলোতেই যেন ফুটে উঠেছে দীর্ঘ ১৮ বছরের সংগ্রাম, প্রতীক্ষা ও ভালোবাসার ইতিহাস। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি এই অনুরোধ জানান।

২৫শে ডিসেম্বর জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশের আসবেন তার বক্তব্যে তিনি বলেন, “১৮ বছর আপনারা আমার সঙ্গে ছিলেন। দেখেছেন, সাহস যুগিয়েছেন, মানসিক শক্তি দিয়েছেন।” এই একটি বাক্যেই প্রতিফলিত হয় প্রবাসজীবনের দীর্ঘ সময়জুড়ে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা সহযোদ্ধাদের অবিচল সমর্থন ও আস্থার গল্প। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় বারবার পরীক্ষিত হলেও নেতাকর্মীদের ভালোবাসা ও দৃঢ়তা তাকে এগিয়ে চলার শক্তি জুগিয়েছে—এ কথাই তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

তারেক রহমানের এই অনুরোধ কেবল আনুষ্ঠানিকতা এড়ানোর আহ্বান নয়; বরং এতে রয়েছে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্মানের বার্তা। তিনি চান, আবেগ যেন শালীনতায় রূপ নেয়, ভালোবাসা যেন দায়িত্বে প্রতিফলিত হয়। তার ভাষ্যে স্পষ্ট—দলীয় ঐক্য ও জনগণের শান্তিই তার কাছে সর্বাগ্রে।

রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় ব্যক্তিগত ত্যাগ, অনিশ্চয়তা ও বিচ্ছেদের কষ্টের মধ্যেও যে বিশ্বাস অটুট থাকে, সেই বিশ্বাসেরই প্রতিধ্বনি শোনা যায় তার বক্তব্যে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এই বার্তা তাই কেবল বিদায়ের অনুরোধ নয়; এটি একটি যুগের স্মৃতি, সংগ্রামের স্বীকৃতি এবং আগামী দিনের প্রতি আশার অঙ্গীকার।

১৮ বছরের সহযাত্রায় যারা পাশে ছিলেন—তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারেক রহমান বললেন, ভালোবাসা শব্দে নয়, দায়িত্বে প্রকাশ পাক। আবেগ থাকুক হৃদয়ে, আর শৃঙ্খলা থাকুক পথে—এই হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।