নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে শপথ, দায়িত্বকাল প্রায় আড়াই বছর বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন আপিল বিভাগের মাননীয় বিচারপতি জনাব জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ বঙ্গভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করবেন।

শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। দায়িত্বকালীন সময়ে তিনি প্রায় আড়াই বছর বিচার বিভাগের নেতৃত্ব দেবেন।

দীর্ঘ বিচারিক অভিজ্ঞতা এবং-জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের বিচার বিভাগে একজন অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ বিচারপতি হিসেবে সুপরিচিত।আইন পেশায় দীর্ঘ পথচলার মধ্য দিয়ে তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি পর্যন্ত উন্নীত হন।

১৯৮৫ সালে আইন পেশায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর তিনি হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন।পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক এবং পরে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়-জুবায়ের রহমান চৌধুরীর জন্ম ১৮ মে ১৯৬১ সালে।তিশনি একটি সম্ভ্রান্ত ও বিচারিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তার পিতা লে. জাস্টিস এ.এফ.এম. আব্দুর রহমান চৌধুরী

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সাবেক বিচারপতি ছিলেন।মাতা বেগম সিতারা চৌধুরী।

শিক্ষাজীবনে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করেন।আইনে স্নাতক (এলএলবি অনার্স) — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনে স্নাতকোত্তর (এলএলএম) — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (এলএলএম) — যুক্তরাজ্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে তার সুগভীর প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান রয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরিসরে অংশগ্রহণ বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি

তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।বেলজিয়াম, কানাডা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও নেপালসহ বিভিন্ন দেশে আয়োজিত কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহণ রয়েছে।

আইনজীবী ও বিচার সংশ্লিষ্ট মহলের মতে,জবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে বিচার বিভাগে ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও বিচারিক স্বাধীনতা আরও সুসংহত হবে।একজন সংযত, অভিজ্ঞ ও পেশাদার বিচারক হিসেবেতার দায়িত্ব গ্রহণকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।নতুন দায়িত্ব, নতুন প্রত্যাশা ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত হতে যাচ্ছে।তার নেতৃত্বে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগ আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন দেশবাসী।