ডেস্ক রিপোর্ট

দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে ৮ দলীয় জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন হাফেজ মাওলানা প্রভাষক আলমগীর হোসাইন তালুকদার। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই এলাকায় স্বস্তি ও উৎসাহের আবহ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই মনোনয়ন কেবল একটি দলের সিদ্ধান্ত নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন। ইসলামী মূল্যবোধ, শিক্ষাঙ্গন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ আলমগীর হোসাইন তালুকদারকে মনোনয়ন দেওয়াকে এলাকার মানুষ ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন।

জনগণের প্রত্যাশা-করিমগঞ্জ ও তাড়াইলের সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা এবার “পরীক্ষিত নয়, বিশ্বাসযোগ্য নেতৃত্ব” চান। একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চাই, যিনি সংসদে গিয়ে এলাকার কথা বলবেন, দুর্নীতির সঙ্গে আপস করবেন না।”

আরেকজন প্রবীণ ভোটার বলেন,“হুজুর মানুষ, দ্বীনি ও নৈতিকতায় দৃঢ়—এমন লোকের হাতেই আমরা এলাকার দায়িত্ব দিতে চাই।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে দীর্ঘদিন ধরেই পরিবর্তনের দাবি ছিল। ৮ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আলমগীর হোসাইন তালুকদারকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা আরও স্পষ্ট হলো। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁকে ঘিরে ইতোমধ্যে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া

মনোনয়ন পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আলমগীর হোসাইন তালুকদার বলেন,-“এটি আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং করিমগঞ্জ-তাড়াইলবাসীর আমানত। ইনশাআল্লাহ, জনগণের অধিকার ও ন্যায়ের প্রশ্নে কোনো আপস করব না।”তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, নৈতিকতা, সুশাসন ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নই তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের মূল ভিত্তি।

সামনে যে চ্যালেঞ্জ ।আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা যে সহজ হবে না, তা স্বীকার করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সাধারণ মানুষের সমর্থন ও জোটগত ঐক্য থাকলে আলমগীর হোসাইন তালুকদার শক্ত অবস্থানে থাকবেন বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।