বিশেষ প্রতিনিধি
মাননীয় জনাব তারেক রহমান,
শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন।
আপনার নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সমমর্যাদার উপদেষ্টাদের দায়িত্ব বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। জাতি আজ নতুন প্রত্যাশায় সামনে এগোচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে কিশোরগঞ্জবাসীর হৃদয়ের একটি প্রশ্ন বিনয়ের সঙ্গে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনের জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক জননেতা ড. এম ওসমান ফারুক। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সততা ও আদর্শিক অবস্থান তাঁকে এ জনপদের অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে। অতীতে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেছেন এবং খালেদা জিয়া-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নকলমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
এমন একজন পরীক্ষিত ও সফল নেতৃত্ব যখন পুনরায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে ফিরে আসেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই মানুষ তাঁর যথাযথ মূল্যায়ন প্রত্যাশা করে। রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা ও সাফল্য সাধারণত উচ্চতর দায়িত্বের পথ তৈরি করে—সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে কি না, সেটিই আজ কিশোরগঞ্জবাসীর ভাবনার বিষয়।
২০২৬ সালের নির্বাচনে যে জেলাকে একসময় প্রতিপক্ষের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হতো, সেই কিশোরগঞ্জে সব আসনে বিজয় অর্জন দলীয় ঐক্য ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ। তাই এ জেলার মানুষের প্রত্যাশা—তাদের অবদান ও সমর্থনের যথার্থ স্বীকৃতি নিশ্চিত হোক।
আমাদের আবেদন, কিশোরগঞ্জবাসীর এই প্রত্যাশা ও অনুভূতি আপনার সুদৃষ্টি লাভ করুক। যোগ্যতার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হলে জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে—এ বিশ্বাস নিয়েই আমরা আশাবাদী।
বিনীত শ্রদ্ধাসহ,
হাজী মোহাম্মদ মনজুরুল হক মামুন ভূঁইয়া যুগ্ম আহবায়ক জাতীয়তাবাদী ওলামা দল কিশোরগঞ্জ জেলা ও মেয়র পদপ্রার্থী করিমগঞ্জ পৌরসভা।