সিনিয়র রিপোর্টার ফ, ক, মোঃ নাজমুজ্জামান

 
রাজধানীতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে যুব অধিকার পরিষদ

সংগঠনের সাবেক দুই ছাত্র উপদেষ্টাকে ঘিরে চলমান বিতর্ক, সাংগঠনিক অবস্থান ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে। সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত এই সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন— “সংগঠনের আদর্শ ও শৃঙ্খলা রক্ষাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”

সংগঠনের অবস্থান পরিষ্কার করতে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং

যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, যে কোনো সংগঠনে মতভেদ বা নীতি বিচ্যুতি ঘটলে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে তা সমাধান করা হয়।
তিনি আরো বলেন—
“আমরা কারো ব্যক্তিগত মতামত বা আচরণের ওপর নয়— সংগঠনের নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি।”

সাবেক দুই উপদেষ্টার সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে ব্যাখ্যা

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ওই দুই সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা সংগঠনের নীতি-আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে জড়িত হন।
এ বিষয়ে পরিষদের মহাসচিব বলেন—
“সংগঠনের বাইরে অবস্থান করে তারা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তিগত মত। যুব অধিকার পরিষদের সাথে এসব বক্তব্যের কোনো সম্পর্ক নেই।”

তদন্ত কমিটি ও সুপারিশ। সভায় জানানো হয়, অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসে—সাংগঠনিক নীতি ভঙ্গ,অনুমোদনবিহীন মন্তব্য প্রদান,পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের অভিযোগ

এগুলোর ভিত্তিতেই তাদের ‘সাবেক’ হিসেবে ঘোষিত করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করা হয়।

সাংগঠনিক ঐক্য অটুট রাখার ঘোষণা।

নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, সংগঠনের মূল শক্তি হলো ঐক্য ও আদর্শের প্রতি অঙ্গীকার
তাদের ভাষায়—
“যুব অধিকার পরিষদ কারো ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার নয়; এটি জনগণের অধিকার রক্ষার আন্দোলন। সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এমন আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।”

ভবিষ্যৎ কর্মসূচি ঘোষণা

সংবাদ সম্মেলনে আগামী মাসজুড়েশি,ক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষাদু,র্নীতি বিরোধী ক্যাম্পেইনক্যা,ম্পাসে শান্তিপূর্ণ গণসংযোগই,ত্যাদি কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি

কার্যকরী সভাপতি, মহাসচিব, যুগ্ম সম্পাদকসহ পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানটি সরাসরি কাভার করেন।