বিশেষ প্রতিনিধি,
ভৈরব স্টেডিয়াম মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে সারাদেশের মতো কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলাতেও বিরাজ করছে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও উচ্ছ্বাস। এই আগমনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন করে আশাবাদ, সংগঠিত হওয়ার প্রেরণা এবং আন্দোলন-সংগ্রামের দৃঢ়তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে করিমগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এরশাদ উদ্দিন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তারেক রহমান শুধু একটি রাজনৈতিক নাম নন—তিনি তারুণ্যের আশা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের নেতৃত্ব। তার আগমন বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের জন্য একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা এবং আন্দোলনকে আরও গতিশীল করার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
এরশাদ উদ্দিনের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার সংকুচিত, রাজনৈতিক পরিসর সীমাবদ্ধ এবং ভিন্নমত দমন করা হয়েছে। এই বাস্তবতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আবারও জনগণের ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করতে চায়। বিশেষ করে যুবসমাজের প্রতি তার আহ্বান—ভয় নয়, ঐক্য; নিরাশা নয়, প্রতিরোধ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, করিমগঞ্জসহ কিশোরগঞ্জ জেলার যুবদল ও অঙ্গসংগঠনগুলো অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ। ভৈরবে তারেক রহমানের উপস্থিতি সেই ঐক্যকে আরও সুসংহত করবে এবং আগামী দিনের গণআন্দোলনে যুবসমাজকে অগ্রভাগে নিয়ে আসবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের বড় জনসভা শুধু শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। মোহাম্মদ এরশাদ উদ্দিনের বক্তব্যও সেই বাস্তবতার প্রতিফলন—যেখানে দলীয় আনুগত্যের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক চেতনার প্রশ্নটি সামনে এসেছে।
সব মিলিয়ে, ভৈরবে তারেক রহমানের আগমন বিএনপির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আর করিমগঞ্জের যুব নেতৃত্বের কণ্ঠে যে প্রত্যাশা ও দৃঢ়তা ফুটে উঠেছে, তা আগামীর রাজনৈতিক সমীকরণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।