বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের দায়িত্ব- দপ্তরের গুরুত্ব দেওয়া অপ্রয়োজনীয় কথা না বলা ভাষা আন্দোলনের অগ্রসেনা এনসিপি মুখপাত্রের সঙ্গে খেলাফত মজলিস আমিরের বৈঠক: ঐক্য ও আন্দোলন নিয়ে আলোচনা সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চের মধ্যে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ও অধ্যাদেশ উপস্থাপন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ খাকশ্রী গ্রাম থেকে ৮ বছরের শিশু নিখোঁজ পরিবারে উৎকণ্ঠা, সহায়তা চাইলেন স্বজন কিশোরগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে সর্বাত্মক প্রস্তুতি রাত ১২টা ১ মিনিটে ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে উঠবে শহীদ মিনার, কঠোর নিরাপত্তা বলয় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার বিনম্র শ্রদ্ধা সমঝোতা প্রস্তাব নিয়ে দ্বিমত—ইমরান ইস্যুতে পাকিস্তান সরকারে বিভ্রান্তি

মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের দায়িত্ব- দপ্তরের গুরুত্ব দেওয়া অপ্রয়োজনীয় কথা না বলা

  • আপডেট সময়: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

আজিজুল হক 

মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা দেশের নীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। প্রতিটি সদস্যের দায়িত্ব শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেওয়া নয়, বরং নিজের দপ্তরের কার্যক্রমের প্রতি সম্পূর্ণ মনোযোগ ও দায়িত্বশীল মনোভাব বজায় রাখা। দপ্তরের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিচালনা দেশ পরিচালনার গতিশীলতা এবং সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য অপরিহার্য।

যদি মন্ত্রীরা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে বা অন্য দপ্তরের বিষয়ে অহেতুক মন্তব্যে সময় নষ্ট করেন, তা সরকারের নীতি প্রয়োগে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। এমন পরিস্থিতি শুধু দেশ ও জনগণের কল্যাণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে না, বরং বিরোধী দলগুলোর জন্য সমালোচনার সুযোগও খুলে দেয়, যা সুশাসন ও প্রশাসনিক স্থায়িত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলে।

বিশ্লেষকরা মনে করান, প্রতিটি দপ্তরের কার্যক্রমের মধ্যে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও ফলাফল নিরীক্ষণ সঠিকভাবে হওয়া উচিত। দপ্তরীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, বাজেট ব্যবস্থাপনা, মানবসম্পদ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসেবার মান নিশ্চিত করতে হলে প্রতিটি মন্ত্রীর দায়িত্বশীল মনোযোগ এবং অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা এড়ানো অপরিহার্য।

যখন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা নিজেদের দায়িত্ব সচেতনভাবে পালন করবে, তখন সরকারের নীতি দ্রুত ও ফলপ্রসূভাবে বাস্তবায়িত হবে। এর প্রতিফলন সরাসরি দেশের মানুষের জীবনমান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সার্বিক কল্যাণে দেখা যাবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য মঙ্গল ও স্থায়ী উন্নয়নের নিশ্চয়তা তখনই সম্ভব হবে।

আজিজুল হক কলামিস্ট ও মানবাধিকার নেতা

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Doinik Probaho
Customized By Ayaz Host