করিমগঞ্জ প্রতিনিধি,
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, সাবেক সফল শিক্ষামন্ত্রী ডঃ এম ওসমান ফারুক-এর নির্বাচনী প্রচারণা জয়কা ইউনিয়নে ব্যাপক জনসমর্থন ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার জয়কা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত গণসংযোগ ও পথসভায় ড. এম ওসমান ফারুকের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন ঘোষণা করেন বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ভিপি সাইফুল ইসলাম সুমন এবং বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট জালাল মোঃ গাউস।
শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বক্তব্য (আগের বক্তব্য)
এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা বলেন,
“ড. এম ওসমান ফারুক একজন পরীক্ষিত ও দেশপ্রেমিক নেতা। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তাঁর সাফল্য আজও মানুষের মুখে মুখে। এই আসনের সার্বিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই।”
ভিপি সাইফুল ইসলাম সুমন বলেন,
“আজ দেশের মানুষ ভোটাধিকার হারিয়েছে। সেই অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। ড. এম ওসমান ফারুক জনগণের নেতা, জয়কা ইউনিয়নের মানুষ তাঁর পাশেই থাকবে।”
এডভোকেট জালাল মোঃ গাউস বলেন,
“আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ড. এম ওসমান ফারুকের ভূমিকা প্রশ্নাতীত। এই আসনে একজন সৎ ও অভিজ্ঞ প্রতিনিধি প্রয়োজন, আর তিনি হলেন ড. এম ওসমান ফারুক।”
ড. এম ওসমান ফারুকের আবেগঘন বক্তব্য
পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. এম ওসমান ফারুক আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন,
“আমি ক্ষমতার লোভে রাজনীতি করি না। আমি রাজনীতি করি মানুষের অধিকার আর মর্যাদা রক্ষার জন্য। করিমগঞ্জ–তাড়াইলের মানুষ আমার পরিবার। আপনাদের ভালোবাসা আর বিশ্বাসই আমাকে বারবার শক্তি দেয়।”
তিনি আরও বলেন,
“আজ গণতন্ত্র সংকটের মুখে, মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছে। এই অধিকার ফিরিয়ে আনতেই আমি আবার আপনাদের কাছে এসেছি। আপনারা যদি ধানের শীষে ভোট দেন, আমি কথা দিচ্ছি—এই এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা ও মানুষের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আজীবন লড়াই করে যাবো।”
তার বক্তব্যের সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়।
বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য
প্রচারণায় উপস্থিত করিমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুল ইসলাম দুলাল বলেন,
“ড. এম ওসমান ফারুক একজন পরীক্ষিত নেতা। উপজেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে থাকবে।”
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান দুলাল শিকদার বলেন,
“ধানের শীষ মানেই গণতন্ত্র। নেতাকর্মীদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।”
করিমগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফ হোসেন পাভেল বলেন,
“এই নির্বাচন শুধু একজন প্রার্থী নয়, এটি জনগণের অধিকার আদায়ের নির্বাচন। ড. এম ওসমান ফারুকের বিজয়েই মানুষের জয় নিশ্চিত হবে।”
পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন সরকার বলেন,
“পৌর বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠন ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকবে।”
বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সাথে ছিলেন ওসমান ফারুক সাহেবের ছোট ভাই টুটুল সহ
অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অংশগ্রহণ
এ সময় জাতীয়তাবাদী ওলামা দল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দলসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন।
নেতাকর্মীরা বলেন,
“ড. এম ওসমান ফারুকের নেতৃত্বেই এই আসনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করবো।”
প্রচারণা শেষে জয়কা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ধানের শীষের প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে ড. এম ওসমান ফারুকের বিজয় প্রত্যাশা করেন।